আর্টিকেলপ্রবন্ধ

বিভৎস কোরবানী প্রথা

লিখেছেনঃ ইয়াজ কাওসার

কুরবানীর ঈদ আসলে আমি চুপ হয়ে যাই। বিভৎস কথা ও বিভৎস ছবি যাতে না দেখতে হয় সে চেষ্টা করি। তবু চোখে পড়ে যায়। আমার লিস্টের কয়েকজন উচ্চ শিক্ষিত মানবতাবাদীর পোস্ট দেখলাম লিখেছে- “এই ঈদে নিজের হাতে গরু জবাই করে কুরবানী দিলাম”। কুরবানী করলে নাকি মনের পশু অর্থাৎ কুকাজ করার প্রবৃত্তি দুর হয়। মুসলিম দেশ গুলোর দিকে তাকিয়ে তা যাচাই করার কথা বলতে ইচ্ছে করছেনা। কোন কিছু ত্যাগ করলে মনের পশু কিভাবে কুরবানী হয় বা দুর হয়- এটা কেউ আমাকে বুঝিয়ে বলুন।

ইসলামীদের নবী বদমাশ ইবরাহীম স্বপনে দেখে নিজের সন্তানকে জবাই করতে উদ্যত হলো। এর পর সেটি হয়ে গেলেও প্রকারান্তরে দুম্বা। এর সেই থেকে এটি হয়ে উঠলো কোরবানী। ছিঃ কি বিভৎস!! এই ইসলাম ধর্মটাই আসলে বিভৎস, একটা খুনী ধর্মের অনুরূপ।
আপনি আপনার ভালবাসার সন্তান বা বউকে বা বাবা-মাকে যদি ত্যাগ করেন বা করতে পারেন – তবে আপনি মানসিক ভাবে জানোয়ার হতে পারবেন, কারন আপনার মিড ( ইমোশন) ও ফ্রন্টাল ( লজিক) ব্রেইনটা অকেজো বা ডেমেজ হয়ে রেইপটাইল দানব অংশটা অবশিষ্ট রয়েছে।

কুরবানী প্রচলিত দেশ গুলোতে ভাল কাজের নমুনা তো ননমুসলিম দেশ গুলোর চেয়ে বেশী দেখিনা।আরেকজন বিভৎসতা বুঝতেও বিভৎস একটা ছবি আপলোড করেছে। গলা কাটা রক্তাক্ত একটা ছাগল গাছে ঝুলানো এবং তার অবুঝ শিশু ছাগলের বাচ্চাটি সদ্য খুন হওয়া মায়ের বুকের দুধ পান করছে।

আমি ভয়ে শিহরে উঠি! নিজেকে নিয়ে সন্দিহান হয়ে পড়ি-অসুস্থ্য কে, আমি নাকি খুনি?

একটা বুদ্ধিদীপ্ত, দয়া -মায়া – ভালবাসা বুঝতে সক্ষম বড় একটা নিরিহ প্রাণীকে জোড় করে হাত পা বেধে গলা কেটে ফেলবে, ফিনকি দিয়ে রক্ত যখন বের হবে তখনো প্রাণীটি বেঁচে থাকার আপ্রাণ চেষ্টা করবে -আর এই দৃশ্য দেখে যারা আনন্দ খোজে পায়, জোস খোজে পায়- আমি তাদের মনস্তত্ত্ব বুঝতে পুরাপুরি অক্ষম।

এই আল্লার মত এক আজগুবি প্রাণীর অতি সামান্য অস্তিত্বও বিশ্বভ্রমান্ডের যদি কোথাও থাকত- তবে বিভৎসতা করে যারা আনন্দ পায়, তাদের সে হয়ত ক্ষমা করতে না।